২৩ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের ৮৭তম জাতীয় দিবস। হজ
ব্যবস্থপনায় সৌদি সরকারের কাছে প্রত্যাশা নিয়ে কথা বলেছেন, গোল্ডেন বেঙ্গল ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলের স্বত্ত্বাধিকারী
ও হজ এজেন্সীগুলোর সংগঠন হাবের সাবেক সহ সভাপতি ফরিদ আহমেদ মজুমদার
ঢাকা: প্রতিবছরই বাংলাদেশ থেকে হজ যেতে ইচ্ছুক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গেল কয়েক বছর ধরে চাহিদা অনুযায়ী সৌদি সরকারের কাছ থেকে কোটা না পাওয়ায় অনেকে যেবছর হজে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন সেভাবে যেতে পারছেননা।
সৌদি
সরকারের নির্দেশনা অনুসারে এরিমধ্যে হজে যেতে ইচ্ছুকদের নাম অনলাইনে প্রাক
নিবন্ধনসহ সার্বিক হজ কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করা
হয়েছে। সেখান থেকে দেখা যাচ্ছে এবছর বাংলাদেশ থেকে হজে যাওয়ার জন্য নাম নিবন্ধন
করেছিল প্রায় দুই লাখ মানুষ। অথচ হজে যাওয়ার জন্য সৌদি সরকারের কাছ থেকে কোটা
পাওয়া গিয়েছিল একলাখ ২৭ হাজার ১৯৮জনের।
দীর্ঘদিন
হজ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত বেঙ্গল ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলের স্বত্ত্বাধিকারী ও হজ
এজেন্সীগুলোর সংগঠন হাবের সাবেক সহ সভাপতি ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন,
| ফরিদ আহমেদ মজুমদার |
মূলত ওআইসির হিসাব অনুযায়ী একটি দেশের মুসলিম জনসংখ্যার এক শতাংশ ধরে সে দেশ থেকে কত লোক হজে যেতে পারবেন তা নির্ধারণ করে সৌদি সরকার। বর্তমানে আমাদের দেশে যে কোটা প্রদান করা হচ্ছে তা ২০১১ সালের আদম শুমারির হিসাব ধরে। এখন বাংলাদেশের জন্যসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। সে হিসেবে আমদের পাওয়া উচিত এক লাখ ৭০ হাজার জনের কোটা।
এরিমধ্যে আগামী বছর হজে যাওয়ার জন্য অন্তত একলাখ ৪৫ হাজার জন প্রাক নিবন্ধিত হয়েছেন। হজের আগে এই সংখ্যা আরো বাড়বে যেহেতু প্রাক নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান থাকবে। ফলে কোটার সংখ্যা না বাড়লে আগামী বছরও অনেকে হজে যেতে পারবেন না। তাদের অপেক্ষা করতে হবে ২০১৯ সালের জন্য, বলেন ফরিদ আহমেদ মজুমদার।এছাড়া হজ এজেন্সীগুলো যাতে হজ যাত্রীদের আরো ভালো সেবা দিতে পারে সেজন্য হজ নীতিমালাকে আরো সময়পোযোগী করা প্রয়োজন।একাধিকবার হজ করাদের উপর সৌদি সরকার এবছর থেকে যে বাড়তি প্রায় ৪০হাজার টাকা আরোপ করেছে তা প্রত্যাহার করলে এই কার্যক্রমে আরো গতি আসবে, যোগ করেন তিনি।
সংশ্লিষ্টরা
বলছেন, আগামী বছর হজ নিয়ে সৌদি সরকারের সঙ্গে চুক্তির আগে বিষয়টি ধর্মমন্ত্রণালয়কে
জোরালো ভাবে তুলে ধরতে হবে। ধর্মমন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে এরিমধ্যে এ নিয়ে কাজ
শুরু হয়েছে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন