বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী প্রেরণে আবারো শীর্ষে সৌদি আরব, কর্মী যাওয়া আরো বাড়বে: আশা ব্যবসায়ীদের

২৩ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের ৮৭তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে  দেশটিতে বাংলাদেশের কর্মী প্রেরণে প্রত্যাশা নিয়ে কথা বলেছেন দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে কর্মী পাঠানোর সঙ্গে জড়িত জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার সাবেক সভাপতি শাহজালাল গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদার

ঢাকা: বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী প্রেরণে আবারো শীর্ষ অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। চলতি বছর আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজ করতে গেছেন ছয় লাখ ৯০ হাজার বাংলাদেশি। যার মধ্যে শুধুমাত্র সৌদি আরবেই গেছে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৬০২ জন। অথ্যাৎ মোট কর্মীর প্রেরণের অর্ধেকের বেশি প্রায় ৫৭ শতাংশ গেছে সৌদিতে।



জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়ররা সাবেক সভাপতি, শাহজালাল মজুমদার বলেন, বন্ধু প্রতীম দেশ সৌদি আরব বাংলাদেশ থেকে ব্যাপকহারে কর্মী নেয়ায় বিদেশে কর্মী প্রেরণ বেড়েছে । এ ধারা অব্যাহত থাকলে এ বছর অন্তত দশ লাখ কর্মী কাজ নিয়ে বিদেশে যাবে।

কর্মী রপ্তানিতে দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষে থাকা ওমান ও কাতারকে পেছনে ফেলে ২০১৬ সালের নভেম্বর থেকেই শীর্ষস্থান দখল করে বাংলাদেশের সবচে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরব। সেই নভেম্বরে শীর্ষে থাকা সৌদি আরবে কর্মী গিয়েছিল ২৭ হাজার ৭৮৪ জন, সেই মাসে ওমানে কর্মী যেত সাড়ে ১৬ হাজার জন আর কাতারে যেত প্রায় ১০ হাজার। ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে সেটি আকাশছোঁয়া গতি পায়।  বিগত ২০১৬ সালে প্রতিমাসে সর্বোচ্চ কর্মী যেত সাড়ে ৮১ হাজার জন। গত মার্চ মাসে সেটি বেড়ে এক লাখ সাড়ে ৬ হাজার জনে উন্নীত হয়েছে।

এটা নিঃসন্দেহে বলা যায় সৌদি আরবের কারণেই জনশক্তি রপ্তানির এই ব্যাপক গতি এসেছে। 'সৌদি আরবের বেশির ভাগ ভিসা আসছে প্রবাসে থাকা আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে। মাঝখানে তিনজন পুরুষ কর্মীর বিপরিতে একজন নারী কর্মী নেয়ার যে শর্ত ছিল তাও উঠিয়ে নিয়েছে সৌদি সরকার। এতে দেশটিতে পুরুষ কর্মী প্রেরণের সম্ভাবনা আরো বাড়লো, যোগ করেন বর্ষীয়ান ব্যবসায়ী শাহজালাল গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদার। 

ভাতৃপ্রতীম সৌদি আরব মুসলিম দেশগুলোর অভিভাবক হিসেবে যেভাবে সামনের দিক থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে তা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ২০১৬ সাল থেকে যেভাবে বাংলাদেশ কর্মী নেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরত্ব দিচ্ছে সৌদি সরকার সে ধারা চলমান থাকবে, বলেন মি: শাহজালাল। ৮৭তম জাতীয় দিবসে দেশটির সকল নাগরিককে শুভেচ্ছা।

মন্তব্যসমূহ