মোহাম্মদ আব্দুল হাই- বাংলাদেশ
থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মী প্রেরণের কাজ যাদের হাত দিয়ে শুরু হয়েছিল তাদের
মধ্যে অন্যতম একজন। গ্রীণল্যান্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান তিনি। অত্যান্ত
নিয়মতান্ত্রিক ও সৎভাবে বিদেশে কর্মী প্রেরণে বেশ সুনাম রয়েছে তার। বাংলাদেশ
থেকে যে বিনাখরচেও বিদেশে কর্মী পাঠানো যায় সে পথ দেখিয়েছেন তিনি। সবসময়ই সরব আছেন
জনশক্তি ব্যবসায় বিভিন্ন অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে।কথা বলেছেন, বাংলাদেশ
থেকে বিদেশে কর্মী প্রেরণের ভবিষ্যত নিয়ে।
| গ্রীণ ল্যান্ড গ্রপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল হাই |
বেশি বাংলাদেশি। ধারণা করা হচ্ছে যে হারে কর্মী যাচ্ছে তা বজায় থাকলে এবছর অন্তত দশলাখ
কর্মী বিদেশ কাজ নিয়ে যাবে। যা অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাবে।
যে কয়েকজনের হাত ধরে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী প্রেরণ শুরু হয় তাদেরই একজন গ্রীণল্যান্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল হাই বিষয়টি দেখছেন ইতিবাচকভাবে।
যে কয়েকজনের হাত ধরে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী প্রেরণ শুরু হয় তাদেরই একজন গ্রীণল্যান্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল হাই বিষয়টি দেখছেন ইতিবাচকভাবে।
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে বড় একটি অভিযোগ অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যায়। তবে এক্ষেত্রে ব্যাতিক্রমী একনাম আব্দুল হাইয়ের গ্রীণল্যান্ড ওভারসীজ।তারা প্রতিষ্ঠান থেকে গেলবছর সম্পূর্ণ বিনা খরচে কাতারে কাজে গেছেন বাংলাদেশি কর্মীরা।
প্রথমেই অনেকে এটি বিশ্বাস করতে চান নি যে বিনাখরচে কিভাবে যাওয়া যাবে। আমরা বিনাখরচে পাঠিয়ে প্রমাণ করেছি এটি সম্ভব। আমরা যখনই বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে এ ধরণের অফার পাচ্ছি তা কাজে লাগাচ্ছি।
আমাদের দেশ থেকে বিদেশে কাজে যেতে অতিরিক্ত খরচের অন্যতম একটি কারণ পুরো প্রক্রিয়াটি দালালদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন যারা বিদেশে কাজে যায় তার কয়েক দালাল ঘুরে তারপর মূল এজেন্সীর কাছে আসে। ফলে তাদের খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এমনকি প্রতারণিও শিকার হয় গ্রামের সহজ-সরল মানুষ, যোগ করেন মি: হাই।মজার বিষয় বিভিন্ন অনিয়মের দায় এসে পড়ে এজেন্সীগুলোর উপর। ধরা- ছোয়ার বাইরে থেকে যায় দালালরা। ফলে বছরের পর বছর চলে গেলেও মূল সমস্যার সমাধান হচ্ছে না,বলেন তিনি।আব্দুল হাই মনে করেন বিদেমে কর্মী প্রেরণ বাংলাদেশের একটি বড় সেক্টর। যেখান থেকে আসছে সিংহভাগ বৈদিশিক মুদ্রা। আমরা যদি সমসাময়িক বিশ্ব প্রেক্ষাপটে এই সেক্টরকে এগিয়ে নিতে চায় তবে অভিজ্ঞদের নিয়ে বসে আমার একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে।
যারা এই কাজটি বুঝেন, তাদের বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে নিয়োগ দিতে হবে। বাড়াতে হবে দক্ষ জনবল। আর ব্যবসায়ীদের প্রতিপক্ষ মনে করলে চলবে না। বিদেশে কর্মী প্রেরণ প্রক্রিয়াকে করতে হবে সহজ ও সেবা বান্ধব। বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কাগজে-কলমের পুরাতন নীতিমালাকে গুরত্ব দিলে চলবে না। সিদ্ধান্ত হতে হবে বাস্তবসম্মত ও সমসাময়িক। তা না হলে বাধাগ্রস্ত হবে এই সেক্টর, বলেন আব্দুল হাই।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন