বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র সৌদি আরব। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী প্রেরণে আবারো শীর্ষ অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। মডেল মসজিদ নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্পে বাড়ছে সৌদি অনুদান। সম্প্রতি বাংলাদেশে ঢুকে পড়া রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তা দেয়া শুরু করেছে দেশটি। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান, হজের কোটা বৃদ্ধিসহ সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ এইচএম আল-মুতাইরি। সাক্ষাতকার নিয়েছেন মাশরেকুল ইসলাম রাহাত
বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত বলেন,
প্রায় প্রতিদিনই আমরা অন্তত পাচ হাজার বাংলাদেশির ভিসায় অনুমোদন দিচ্ছি। সামনের দিনে
এই সংখ্যা আরো বাড়বে। কেননা কর্মী নেয়ার ক্ষেত্রে আমরা বাংলাদেশকে গুরত্ব দিচ্ছি।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশের ইসলাম
ধর্মপ্রাণ জনগণ সৌদি আরবকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়।
এদেশের মানুষ তাদের কাজের মাধ্যমে সৌদি জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সার্বিক সহায়তা করছে।
তাদের ন্যায্য মজুরি ও ভালো কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করছি আমরা।
বাংলাদেশের
সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর, যা ধর্মীয় সাংস্কৃতিক
ও মানবিক বন্ধনের দৃঢ়
ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। সৌদি আরব সর্বদা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ায় এবং সাহায্য-সহযোগিতা করে,বলেন
রাষ্ট্রদূত।সম্প্রতি রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মুসলিম দেশগুলো একসঙ্গে কাজ করার উপযুক্ত সময়। এটি সত্যি দুর্ভাগ্যজনক যে আমরা এখন দীর্ঘদিনের এই সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। রোহিঙ্গা সমস্যা মাধানের আগ পর্যন্ত তাদের সবধরণের সহযোগিতা চালিয়ে যাবো আমরা। আশা করছি ওআইসি ও জাতিসংঘের মাধ্যমে দ্রুতই এই সমস্যার সমাধান হবে।
বাংলাদেশ থেকে সামনের বছর হজযাত্রীর কোটা বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। এবছর বিগত বছরগুলোর চেয়ে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি হজ পালন করেছেন। সামনের বছর এ কোটা আরো বাড়তে পারে। হজ ব্যবস্থাপনাকে আরো সুন্দর করতে কাজ করছে আমাদের সরকার।
বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক যেভাবে এগুচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে দুইদেশের সম্পর্ক নি: সন্দেহে আরো বেগবান হবে।


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন