রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিচারে সবধরণের পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস: নোবেল বিজয়ী তিন নারীর



আন্তর্জাতিক আদালতে যাতে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিচার হয় সেজন্য সবধরণের পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী তিন নারী। তারা মিয়ানমারের সু চির কড়া সমালোচনা করেন, যিনি নিজেও শান্তিতে নোবেল জিতেছেন। নোবেল বিজয়ী তিন নারী আটদিনের বাংলাদেশ সফর শেষে এ নিয়ে কথা বলেন। তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন মাশরেকুল ইসলাম রাহাত

চোখের সামনে কারো আদরের সন্তান, কারও ভাই অথবা কারও বোনকে হত্যা করা হয়েছে।নির্যাতন করা হয়েছে নির্মমভাবে।জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে বসতবাড়ি-এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানান রোহিঙ্গারা,শান্তিতে নোবেল পাওয়া তিন নারী ইয়েমেনের  তাওয়াক্কল কারমান,  ইরানের শিরিন এবাদি এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের ম্যারেইড ম্যাগুয়ারের কাছে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে বাংলাদেশে এসে তিন দিন  কক্সবাজারে বিভিন্ন ক্যাম্পে ঘুরে ঘুরে শোনেন নির্যাতিতদের কথা শোনেন নোবেল বিজয়ী তিন নারী।
সেই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তারা জানান, মিয়ানমারের রাখাইনে স্মরণকালের ভয়াবহ গণহত্যা হয়েছে। যার দায় এড়াতে পারেননা মিয়ানমারের নোবেল বিজয়ী অং সান সূচি।         
উত্তর আয়ারল্যান্ডের ম্যারেইড ম্যাগুয়ারের সঙ্গে মাশরেকুল ইসলাম রাহাত
ইয়েমেনের শান্তিতে নোবেল বিজয়ী তাওয়াক্কাল কারমান বলেন, সূচী যে কিনা নিজেই শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন, মিয়ানমারের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আছেন। তার সময়ে তার দেশের নাগরিক রোহিঙ্গাদের উপর এমন নির্যাতন ও তাদের বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য করা দুর্ভাগ্যজনক।
আমরা একশোজন নারীর সঙ্গে কথা বলেছি, যারা সবাই ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার। কারো চোখের সামনেই নিকট আত্বীয়কে মেরে কবর দেয়া হয়েছে। অবশ্যই নির্যাতিদের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার হতে হবে।
বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া আর সেখানে তাদের নাগরিকত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই সংকটের সমাধান, বলেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ইরানের শিরিন এবাদি।
এজন্য মিয়ানমারের পাশ্বর্তী দুইদেশের চীন ও ভারতকে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী আরেক নারী উত্তর আয়ারল্যান্ডের ম্যারেইউ ম্যারেইউ ম্যাগুয়ার।


মন্তব্যসমূহ